কিসের পিছে ছুটছ তুমি, একি তোমার পথ?

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়তে যাওয়ার সুবাদে পথে যে বাসের সিটে বসে থাকার বাদ্যতামূলক পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে যেতে হল তাঁর ও অনেক সুফল বা পজিটিভ অভিজ্ঞতা আছে, আছে ঢের বেশী খারাপ অভিজ্ঞতা। এইসব অভিজ্ঞতার বিস্তারিত এখন আর মনে করা মুশকিল, সেই পরিচ্ছন্ন স্মৃতি শক্তি আমার কোন কালেই ছিল না। তবে কিছু কিছু ঘটনা একেবারেই ভোলার মতন না। যেমন একদিন বাড়ি ফিরে পুকুরে সাতার দিলাম রাত ৯টার দিকে, উঠে খেয়ে কিছক্ষন বিশ্রাম করে পড়াশুনা করলাম ঘন্টা খানিক। পরে ঘুমানোর আয়োজন করে নামাজ ও ধ্যান করলাম আরো ঘন্টা খানিক। পরে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাতে স্বপ্ন দেখলাম প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা চট্টগ্রাম আসছেন, কোথায় যেন বড় মিটিং, সারা রাস্তা বঙ্গবন্ধুর ছবিতে সয়লাব। সকালে তাড়াহুড়োকরে বিশ্ববিদ্যালয় রওনা হয়েছি আর রাস্তায় এই সাজ সাজ রব দেখতে পাচ্ছি। বাসের লোকজন কেমন জানি ফিস ফিস করছে। কেউ আওয়াজ করে কথা বলছে না, পরে কৌতুহল বেড়ে গেল আমার, কি হয়েছে? জিজ্ঞাসার উত্তরে একজন জানালো শেখ হাসিনার আগমনের এই সুজোগে কেউ তাঁর গাড়ি বহরে হামলা করেছে, তাই শহরে মারামারি লেগে গেছে। পরে আমার বেশী ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেলে এই স্বপ্ন আর দীর্ঘায়ীত হয় নি। কিন্তু স্বপ্নের ঘোর লেগেছিল মাথায়। সকালের টিউশনি সেরে প্রতিদিনের মতই ১৫ নম্বর স্টেশন থেকে বাসে চড়ে বসেছি, ১৫নম্বর ঘাটে বাস এসে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠানোর হাঁকডাক দিচ্ছে, কেউ উঠছে, বসে থাকা যাত্রীরা তাড়া দিচ্ছে ছেড়ে যাবার জন্যে, আমি জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি। নানান কিছু দেখতে দেখতে একসময় দেখলাম এক চা দোকানের গেটের সামনে পাকা জায়গায় এক লোক পরিষ্কার সাদা কপড় পড়ে শুয়ে আছে, নিস্তেজ। এর মধ্যেই আরেক লোক বাস কন্ডাক্তার কে অনুরোধ করছেন, এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বাড়ি মীরেরসরাই, তাঁকে বাসে তুলে দিলে যাতে একটু ধরে বাস থেকে বিশ্বরোডের মাথায় নামিয়ে দেয়। উনার সাথে যাবার মত কেউ নেয়, কিন্তু ওখানে গেলে উনার পাড়ার লোকজন উনাকে বাড়ি যেতে সহায়তা করবেন। কথা গুলো আমার কানে আসছিল আর আমি শুয়ে থাকা লোকটার মুখে উপর পড়া ভোরের আলো দেখছিলাম।এই ভোরের আলোয় কিসুন্দর মানুষের মুখ । কিন্তু হঠাত মনে হল এই লোকটির কথাই বলছে কেউ একজন, যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে, যাকে বাসে উঠিয়ে দিতে চাইছে ঘাটের লোকজন, কিন্তু কেউ নাই যে উনার সাথে যাবে। পরে বাস উনার অবস্থা দেখে নিতে সম্মত হয় নি, ছেড়ে যাবার আগ মুহুর্থে আমার মনে হল আমি তো একই পথে যাচ্ছি, আমার হাতে যা সময় আছে তাতে আমি উনাকে নামিয়ে দিয়ে ট্রেন ধরতে অসুবিধা হবে না, বাস থামিয়ে আমি সাথে সাথে নেমে পড়ি। অসুস্থ লোকটার সাথে থাকা সহকর্মী মাঝিদের বললাম আমি তো ভার্সিটি যাচ্ছি, উনাকে টেম্পুতে তুলে দেন, আমি উনার সাথে যাব, এবং বিশ্বরোড পর্যন্ত যেতে সাথে থাকব। সবাই দেরি না করে লোকটাকে টেম্পুতে তুলে দিল, আমি পাশে বসে ধরে রাখলাম। বিশ্ব রোড পর্যন্ত যেতে যেতে কত কথা মাথায় আসল, অনেক বার চেষ্টা করলাম উনার সাথে কথা বলতে, কিন্তু উনি সোজা হয়ে বসেই থাকতে পাড়ছেন না। আমাকে ধরে থাকতে হল সারা পথ, কোন কথা বললেন না। বিশ্বরোড এর মুখে পৌঁছে নামাতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি, উনার শরীর নাড়াতে পাড়ছেন না, এক পাশ অবশ হয়ে পড়েছে। আমি উনার ওজন সামলাতে পাড়লাম না, পড়ে যাচ্ছিল নিচে, এক রিকশাওয়ালা এসে ধরল, উনার অবস্থা দেখে মনে হল এই ভাবে রাস্তায় রেখে গেলে উনি আরো বিপদে পড়বেন, দরকার হাস্পাতালে যাওয়া। তবুও রিকশাওয়ালার পরামর্শে ফকির হাটের এক ডাক্তারখানায় নিলাম লোকটাকে ওই রিকশায় বসিয়েই। ডাক্তার বললেন দেরি হয়ে গেছে, দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাস্পাতালে নিতে হবে, উনার স্ট্রোক হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উনাকে হাস্পাতাল নিতেই হবে দ্রুত। পকেটে নিয়মিত ভার্সিট যাবার টাকা ৪৫ টাকার বেশী এক টাকা ও নাই। লোকটার পকেটে পেলাম ২৪০ টাকার মত, একটা বেবিট্যাক্সি ঠিক করে ঐ রিকশাওয়ালা সহ ধরে উনাকে টেক্সিতে চড়িয়ে গেলাম হাস্পাতালে। সেখানে নিয়েও ঝামেলা ইমার্জেন্সি উনাকে ভর্তি নিতে চাইছেন না। অনেক রাগারাগি করে, অনুরোধ করে শেষ পর্যন্ত ভর্তি নিলেন। এবার আমার মাথায় আসল উনার আত্বীয় স্বজনদের খবর দিতে হবে, উনার কাছে অনেক কষ্টে বারইয়ার হাটের দোকান মালিক উনার চোটভাই এর নাম ঠিকানা পাওয়া গেল, আমার কাছে যা টাকা আছে তাতে আমি শুধু ওইখানে যেত পাড়ব, কিন্তু ফিরার গাড়ি ভাড়া হবে না। দুপুরে খাবার টাকা ও হবে না। কিন্তু এখন এই অসুস্থ লোকটাকে এখানে রেখে ক্লাসেও যেতে পারছি না। শেষে রওনা হলাম আল্লাহ ভরসা করে। মনে মনে ঠিক করলাম যদি বিপদে পড়ি তবে সদরমার দিঘী বাড়ইয়ার হাট থেকে অল্প দূরে, হেঁটে মামা বাড়ি চলে যাব। একটা ব্যবস্থা হবে নিশ্চয়ই। কিন্তু সেই মামা বাড়িতে আমি যখন শেষ বার গিয়েছিলাম তখন আমি মাত্র ক্লাস সিক্স এ পড়ি, তবে স্মৃতি আছে অনেক,মনে হচ্ছিল আমি ঠিক পৌছুতে পারব। শেষে বারইয়ার হাট পৌছুলাম, খবর ও দিলাম । লোকটার ভাইয়ের আচরনে ভীষণ মন খারাপ হল। মনে হল আমি এতদূর এই খবর বলতে এসে এক মস্ত অপরাধ করে ফেলেছি। আমি যা বলতে এসেছি তা সত্যি নয়, উনি আশপাশের দোকানের লোক জড়ো করে ফেললেন, আমি লোকেদের পরিস্থিতি বুঝিয়ে বললাম, অনেকেই ব্যপারটা বুঝলেন কিন্তু উনার ভাই অনেক খারাপ ব্যবহার করলেন, বলতে চাইলেন আমি মিথ্যা বলে উনাকে ফাসানোর জন্যে কোন ফাঁদ পেতে এই খবর দিয়ে উনাকে চট্টগ্রাম নেবার চেষ্টা করছি। আমি অবাক হলাম এবং দুঃখ পেলাম। এই সব হাঙ্গামা শেষ হতে হতে বিকেল ৩ তা বেজে গেল, ভীষণ ক্ষুদার্ত আমি, পকেটে আছে ৯ টাকা, ফিরব কি করে পতেঙ্গায়? এদিকে খেতে না পাড়লে মনে হচ্ছে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পাড়ব না। মাথা ঝিম ঝিম করছে। একটা ভাত ঘরে ঢুকে পড়লাম, হাত মুখ ধুয়ে টেবিলে বসলে একপ্লেট ভাত সাথে এক গোল্লা আলু ভর্তা, এক বাটি ডাল দিয়ে গেল বয় ছেলে। জিজ্ঞেস করল কি খাব তরকারী, উল্টে আমি জিজ্ঞেস করলাম ভাত আলুভর্তা ডাল কত, বল্ল সাত টাকা। বললাম আমার আর কিছু লাগবে না, চটপট আলূ ভর্তা ডাল দিয়ে খেয়ে ৭ টাকা বিল দিয়ে বেড়িয়ে পরলাম। ২ টাকা আছে পকেটে এখনো। লোকাল বাসে ২ টাকা দিয়ে বারইয়ার হাট থেকে সদরমার দিঘী এসে নাম্লাম শূন্য পকেটে তখন চারটা সারেচারট বাজবে, বিকেলের আলোয় হেঁটে মামা বাড়ি খুঁজে বের করলাম, স্মৃতি কাজে লেগেছে। মামি তো আমাকে দেখে অবাক। পড়ে ঘটনা খুলে বললে উনি জোর করলেন রাতে থেকে যেতে, পরে বললাম বাড়িতে মা বাবা অনেক চিন্তায় পরে যাবেন, আমি তো এখানে আসার জন্যে রওনা হই নি, যাচ্ছিলাম ভার্সিটি কিন্তু পরিস্থিতির স্রোতে ভেসে আমি এখন মামা বাড়ি। যা হোক মামি ১০০ টাকা দিলেন, আমি দ্রুত বিদায় নিলাম। পতেঙ্গা ফিরে কাঠগড়ে সুচয়নে নেমে কিছু কাজ সেরে বাড়ি পৌঁছলাম ঠিক ৯ টায়। বাড়িতে কেউ কিছু জানল না। কিন্তু আমি মনে মনে দিনের ক্লাস গুলির জন্যে চিন্তিত ছিলাম, অসুস্থ লোকটার ভাইয়ের অদ্ভুত আচরণের কারনেও মনটা বেশ খারাপ হয়ে ছিল। পুকুরে সাতার কেটে খেয়ে ধ্যান করে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন একই রুটিনে বটতলী স্টেশনে এসে দেখি বন্ধুরা গতকাল এর ঘটনা নিয়ে বেশ টেন্স হয়ে আছে, ট্রেন ঠিক সময়ে ছাড়বে কিনা তা নিয়ে সংশয় সবার, কি হয়েছে জানতে চাইলাম। তারা বল্ল গতকাল অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌছুতেই পাড়েনি। ট্রেন ফতেয়াবাদ পৌছার পরেই শুরু হয় মারামারি, বিশ্ববিদ্যাল পৌছার আগেই খোলা মাঠে ট্রেন থেকে নেমে ধান ক্ষেতের উপর দিয়ে পালিয়ে অনেক কষ্টে কাদা জল পেড়িয়ে সহপাটিরা হাঠহাজারী রোডে আসে। ট্রেন এম্বুশ করে ছাত্র শিবিরের আস্ত্রধারী ক্যডাররা বাস ফায়ার করেছে ট্রেনে। পড়ে যে যেভাবে পেড়েছে, বাসের ছাদে, ট্রাকে চরে শহরে পৌঁছেছে। আমি আর বলিনি আমি কি করেছি গতকাল সারা দিন। শূধু ডিপার্ট্মেন্টের সামনের জারুল তলায় পৌঁছে তিনটা ডিগবাজী দিয়েছিলাম সবুজ ঘাসের উপর, আমার সহপাঠীরা এতে বেশ অবাক হয়েছিল।

পথ চলতে চলতে জীবনের নানান অভিজ্ঞতা আমাকে যেই প্যারালাল ওয়ার্ল্ড এর হাতছানি দিয়ে গেছে তাঁর সাথে সাক্ষাতের আকুতি, তাড়না আমার পিছু ছাড়েনি কখনো। আমি আমি দেখেছি আমার পথ আমাকে পরিচালিত করছে । আমার সচেতন মন, যুক্তি এবং দৃশ্যমান বাস্তবতার সমান্তরালে আরেক অদৃশ্য চালিকা শক্তি আমকে ঘিরে থাকে যার অস্থিত্ব আমি প্রবল ভাবে অনুভব করি। এই অনুভব এখনো আমাকে তাড়া করে, এই সমান্তরাল পরিচালক যেন গানের সেই পাগলা ঘোড়া, আমি তাঁর পিঠে চড়েছি কখন জানি না, কিন্তু তাঁকে নিয়ন্ত্রন করার জন্যে আমার চেষ্টার শেষ নেই, কিন্তু মাঝে মাঝে তাঁর দেখা পাই বেশিরভাগ সময় পাই না।
ছবিটির আমি উপরের ধারনা প্রকাশের চেষ্টা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজের অস্থিত্বের সংকট কে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছিলাম ২০০৭ সালে বগুড়ার নিজেরা করি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের মিলনায়তনে, চলছিল বৃত্ত আর্ট ট্রাস্টের আন্তর্জাতিক আর্ট ওয়ার্কশপ।

Don\’t lose sight of your path, why are you running after something else?

I remember the time I was on my way to study art at Chittagong University. I can\’t recall much about that experience now, as my memory is not that good. But some events are unforgettable. I remember the day I returned home, sat in the pond at 9 pm, ate, rested for a while, studying for a few hours, prayed and meditated, and then fell asleep. That night, I had a dream that Sheikh Hasina, the Prime Minister, was coming to Chittagong, and there was a big meeting with Bangabandhu\’s picture on every road. The dream stayed with me, and the next morning, as I boarded the bus to the university, I saw people whistling and heard that someone had attacked her fleet on the occasion of her arrival, causing a fight in the city.

One day, after my morning tuition, I was on the bus to the university, and it stopped at the 15th Boat station to pick up passengers. While looking out of the window, I noticed a man lying in a clean white cloth on the pavement in front of a tea shop. In the meantime, I heard someone requesting the bus conductor to take a sick man, who was from the Meeresarai area, down to Bishwa Road so that the people of his neighborhood could help him go home. However, the bus refused to check his condition. As I was going the same way, I decided to help the sick man, got off the bus, and took him to a doctor\’s clinic in Fakir Hat with the help of a rickshaw puller. The doctor told me that he had had a stroke and had to be taken to Chittagong Medical College Hospital immediately.

With only 45 takas in my pocket, I found about 240 takas in the sick man\’s pocket and arranged for a baby taxi to take him to the hospital along with the rickshaw puller. However, the emergency department did not want to admit him. After much persuasion, he finally got admitted. I had to inform his relatives, so I got the name and address of his younger brother, who was the shop owner of Bariyar Hut. With the money I had, I could only go there, but I had no money for lunch. I decided to stay with the sick man instead of going to class.

Finally, I reached Bariyar Hut and gave the news to the man\’s brother. However, he behaved very badly and accused me of lying to trap him and take him to Chittagong with this news. I explained the situation to the people around him, but his brother remained angry. All this commotion ended by 3 pm, and I was left hungry with only 9 takas in my pocket.

when everything had settled down, it was already 3 pm and my stomach was growling with hunger. I searched my pockets and found 9 takas, but I wondered how I could make it back to Patenga without eating anything. The throbbing pain in my head wasn\’t helping either. As I walked into the restaurant, I saw a bowl of rice waiting for me. I quickly washed my hands, sat at the table, and was handed a plate of rice along with a bowl of mashed potatoes and another bowl of dal. The person serving asked if I wanted curry, but I was more concerned about how much the rice and potato filling would cost me. It turned out to be seven takas, which I could afford, so I told him I didn\’t need anything else. I quickly gobbled up the smashed potato and dal, paid the bill, and left. I had only 2 Taka in my pocket, but I needed to pay 2 takes to ride the local bus to Sadarmar Dighi from Bariar Hut. I arrived at my uncle\’s house later on with an empty pocket, and he was surprised to see me. I explained the incident to him, and he insisted that I stay the night. However, I had to decline since my parents would worry about me. I had originally planned to go to the university but ended up at my uncle\’s house due to the current situation. Before I left, my mami gave me 100 takes, and I quickly departed. When I returned home from Patenga, I got down to Suchoyan in Kathgarh and arrived home at exactly 9 o\’clock. No one at home knew anything about my trip. The next day, I went to Battali station and saw that my friends were tense about yesterday\’s incident. They told me that the train was ambushed by the armed cadres of the Shatra Seebir. They fired at the train, and many people could not reach the university that day. I didn\’t reveal what I did all day yesterday, but I went to jarul Tola in front of the Fine Arts department and gave three tumbles on the green grass, surprising my classmates.

Throughout my life, I\’ve had various experiences that have shown me a parallel world that I am always curious to explore. There\’s an invisible driving force that surrounds me and sometimes makes me feel like I\’m riding a crazy horse. This feeling still haunts me, and I always try to control it, but most of the time, I can\’t.

I expressed these ideas in a film I made to highlight the crisis of self-existence in the contemporary political situation. In 2007, the Britto Art Trust\’s international art workshop was held at the Do-It-Yourself Training Center auditorium in Bogra.